১২ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৩:৪৯

মাদক শনাক্তে দেশে এলো আধুনিক যন্ত্রপাতি

সমাদকদ্রব্য শনাক্তের আধুনিক যন্ত্রপাতি এলো বাংলাদেশে। ‘দ্যা প্রজেক্ট ফর ইলিসিট ড্রাগ ইরাডাকশন অ এডাভান্সড ম্যানেমেন্ট থ্রো ইট (আই ড্রিম ইট)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এসব যন্ত্র কোরিয়া থেকে আনা হয়েছে। সোমবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এসব যন্ত্রপাতি হস্তান্তর করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ‘আই ড্রিম ইট’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সর্বপ্রথম মাদকদ্রব্য শনাক্তকরণ যন্ত্র পেল। এই যন্ত্রের মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকদ্রব্য ধরার কাজটি আরও সহজ হবে। প্রজেক্টের আওতায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরকে তিনটি পিকআপ ও দুটি মাইক্রো, ২৯ ধরনের যন্ত্রপাতি ও ১৫০টি কম্পিউটার সরবরাহ করা হয়। প্রায় চার মিলিয়ন ডলারের প্রকল্পটির কাজ আগামী ২০১৯ সালের মধ্যে শেষ হবে। রোববার পাঁচটি গাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়।

 

দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থা কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কৈকা) ও বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের যৌথ উদ্যোগ এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

 

এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, মাদকবিরোধী অবস্থানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেয়া হবে। আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করা হবে। সে লক্ষ্যে যেখানে মাদকের সন্ধান মিলবে সেখানেই চলবে অভিযান।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কাজকে আরও গতিশীল করতে আজকের এ উদ্যোগ ফলপ্রসু হবে।

 

অনুষ্ঠানে কৈকার কান্ট্রি ডিরেক্টর জো হান-গু বলেন, ‘আই ড্রিম ইট’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরকে যেসব যন্ত্রপাতি ও কম্পিউটার সরবরাহ করা হলো তা দিয়ে মাদক নির্মূলের পথ সহজ হবে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাদক শনাক্তে সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা করতে পেরে আমরা আনন্দিত।

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আই ড্রিম ইট’ প্রজেক্টের মাধ্যমে আমাদের কাছে হস্তান্তরিত যন্ত্রের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ৩৭টি সেবা সহজীকরণ হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের রাসায়নিক পরীক্ষাগার আধুনিকরণ করা হবে।