২৬শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ১২ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সকাল ৯:১৮

খোকসা পৌর আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পথসভা

 

“ধানের শীষে ধান নেই, নৌকায় ভোট দেন,” বাংলার মানুষ কোন দিন বিএনপি-জামাত প্রেতাত্মাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চাই না। কুষ্টিয়া -৪ আসনের বিএনপি প্রার্থীর মেহেদী আহমেদ রুমীর উদ্দেশ্য করে বলেন, ভাগ্যের শূন্য মুল্লার মতন পরিণতি না নিন উস্কানিমূলক বক্তব্য না দিয়ে নিজেকে সংশোধন করুন। খোকসা পৌর আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খোকসা উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খান এ কথা বলেন। খোকসা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে তিনটার সময় কুষ্টিয়ার খোকসা বাসস্ট্যান্ড মুক্তমঞ্চের নির্বাচনী পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কুমারখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কুমারখালী উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান খান, কুমারখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কুমারখালী পৌর মেয়র শামসুজ্জামান অরুণ, কুষ্টিয়া ৪ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নৌকার কান্ডারী ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি নুরুল ইসলাম দুলাল ও আকরাম হোসেন দুলাল, খোকসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবুল আক্তার, খোকসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও খোকসা পৌর মেয়র প্রভাষক তারিকুল ইসলাম তারিক, সাবেক খোকসা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফজলুল হক প্রমুখ।

বক্তারা বলেন আগামী নির্বাচনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে হাজার ১৯৭১ সালে আপনারা যেভাবে দল মত নির্বিশেষে নৌকাকে বিজয়ী করেছিলেন ঠিক তেমনি ২০১৮ সালেও নৌকাকে বিজয় করতে হবে। দেশী-বিদেশী সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে অবাধ্যভাবে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে আমরা আজকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। পতিতা ভোটকেন্দ্রের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে প্রধান অতিথি আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খান বলেন নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে ভোট কেন্দ্রে পাহারা দিতে হবে। নিজেদের অধিকার নিজেদের আদায় করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নৌকায় ভোট দিতে হবে।

 

পর আওয়ামী লীগের আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলার প্রতিটা ইউনিয়ন থেকে আগত সকল আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। পথসভা কে কেন্দ্র করে দুপুর থেকেই শত শত নেতাকর্মীরা বাসস্ট্যান্ডে জড়ো হতে থাকে। তিনটা বাজতেই বাসস্ট্যান্ডের সকল জায়গা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। সকল নেতা কর্মীগণ নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করে ঘরে ফিরবে বলে ওয়াদা করে।