২৬শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ১২ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সকাল ৮:৫৩

খোকসা-জানিপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে।

পুঁথিগত বিদ্যার সাথে সাধারণ জ্ঞানের সম্ভার হতে হবে প্রতিটা শিক্ষার্থীদের।
তোমরা একদিন জাতীকে কল্যাণময় স্থানে আসন গ্রহণ করা বে। নারী জাতির শিক্ষায় দেশের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। নারী-পুরুষ একত্রে শিক্ষা অর্জন করতে পারলে দেশের কল্যাণ সফল হবে। খোকসা-জানিপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কুষ্টিয়া -৪ আসনের সাংসদ ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এভাবে বক্তব্য বলেছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার কমলাপুর খোকসা জানিপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের সবুজ চত্বরে অনুষ্ঠিত এসএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক শামীম আখতার বানুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাফ্ফারা তাসনীন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবিএম মেহেদী মাসুদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবুল আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও শোমসপুর বালিকা বিদ্যালয় এর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহিম খান, খোকসা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও খোকসা জানিপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয় এর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আল মাসুম মোর্শেদ শান্ত।

২০১৯ সালে বিদ্যালয়ের ৯৫ জন শিক্ষার্থীর বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রতি বছরের ন্যায় রঙ্গিন সাজে সাজিয়ে ছিল বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বছরের নতুনত্বের মধ্যে যোগ দিয়েছিল নবনির্বাচিত এমপি মহোদয় ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ কে নিয়ে। মুহু মুহু করতালি ও ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন আগন্ত অতিথি ও স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষার্থীগণ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় উপজেলা নির্বাহি অফিসার মাফ্ফারা তাসনীন বলেন, বালিকা বিদ্যালয় তোমরা যারা এখানে আছ, তোমরা সবাই আমার মতন নারী। আর নারী কে কেউ হারাতে পারবে না, যদি নারী নিজে না হারে। প্রতিটা শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। বাল্য বিয়ে না করতে হবে, নিজের বিয়ে নিজেই প্রতিরোধ করে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীমা আক্তার বানু বলেন, নারী শিক্ষার অগ্রজ এই বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত, নবনির্বাচিত এমপি মহোদয়ের কাছে এ সকল বিষয়গুলো সমাধানের আশ্বাস দাবি করেন।
আলোচনা পর্বের পর বন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী অভিভাবক ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।