১৯শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৪:০৬

এক দফা দাবীতে সারা দেশের ন্যায় ঐতিহ্যবাহী কুমারখালী পৌরসভায় আন্দোলনের ২য় দিনে খোকসা পৌরসভা একত্রিত

দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন ভাতার দাবিতে পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীরা নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের ৩২৭টি পৌরসভা ন্যায় কুমারখালী ও খোকসা পৌর সেবা বন্ধ করে একযোগে অবস্থান কর্মসূচি ও মিছিল করছে শহরে।
চজ মঙ্গলবার ঐতিহ্যবাহী কুমারখালী পৌরসভার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন মিছল করেছে।

 

অন্য পৌরসভার গুলোর মতো কুমারখালী পৌরসভা ও খোকসা পৌরসভা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৫টা অবধি চলবে এই অবস্থান কর্মসূচি।এতে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছে।
এদিকে পৌরসভার কর্মকর্তা- কর্মচারীরা কর্মসূচিতে অংশ নেয়া সকল নাগরিক সেবা বন্ধ রয়েছে। সকালে জন্ম নিবন্ধন, নাগরিকত্ব, মৃত্যু, ওয়ারিশ সনদ নিতে এসে অনেকে ফেরত গেছেন। পৌর এলাকার এলঙ্গীপাড়ার জিয়াউল মালিকের ছেলে আহনাফ বলেন,‘ আমার দাদার মৃত্যু সনদ নিতে এসে না পেয়ে বাধ্য হয়ে বাড়িতে ফিরে যেতে হলো।’

 

কুমারখালী পৌর কর্মকর্তা- কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান টুটুল, সাইফুল ইসলাম, আল আমিন ,রাজু আহমেদ বিপ্লব, মকলেছুর রহমান জিল্লু, বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা, জেলা পৌরসভা সার্ভিসএসোসিয়েশনের সদস্যএবং খোকসা পৌরসভার কর্মচারীরা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দেশের ৩২৮টি পৌরসভার মধ্যে অধিকাংশ পৌরসভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়মিত ভাবে বেতন-ভাতা পান না।
অনেক পৌরসভায় দুই মাস থেকে সাড়ে ছয় বছর অবধি বেতন ভাতাদি বকেয়া রয়েছে। এমনকি কোথাও কোথাও উৎসব ভাতা হতেও বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। বক্তারা অবিলম্বে চাকরি জাতীয়করণের এক দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।