২০শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৫ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | দুপুর ২:৩৪

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়াই নদীর তীরে গড়ে উঠছে কয়া ইকোপার্ক কুমারখালী গড়াই নদীর তীরে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের ত্তত্বাবধানে গড়ে উঠছে কয়া ইকো পার্ক

কুমারখালী উপজেলার কয়া ইকোপার্ক ইতোমধ্যেই জায়গাটি ভ্রমণপিয়াসী প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হতে শুরু করেছে।

শুক্রবার বিকেলে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন ইকো পার্কটির উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

 

পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, উপজেলার মধ্যে এরকম একটি সুন্দর বিনোদনমুলক কেন্দ্র নির্মাণ হলে স্থানীয়সহ আশপাশ এলাকার ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় হবে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ার মান মর্যাদাও একটু বৃদ্ধি পাবে ব তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাদ জাহান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ওবাইদুর রহমান, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) এবিএম আরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

 

স্থানীয় এলাকাবাসীরা বলেন, আমাদের খুব ভালো লাগছে যে এই এলাকায় গড়াই নদীর পাশে এমন একটা ইকোপার্ক হচ্ছে। আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে একটু বিনোদন কাটাতে পারবো। এছাড়াও আত্মিয়স্বজন এলে তাদেরকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখাতে পারবো।
জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এখানে শুধু ইকোপার্ক নির্মান করেই যে ক্ষান্ত না হন এগুলো রক্ষানোবেক্ষনেরও ব্যবস্থার দাবী জানান তিনি।

 

কবি নাট্যকার লিটন আব্বাস বলেন, ইকোপার্ক পরিপুর্নভাবে নির্মান করা হলে অনেক ভালো হবে। বিনোদনের জন্য একটু নির্মল পরিবেশ পাবো আমরা। পাশাপাশি আমাদের এই কর্মব্যস্ততা শেষে একটু চিত্ত বিনোদনের জন্য নদীর পাড়ে এই কয়া ইকোপার্কটি আমাদের কিছুটা হলেও প্রশান্তি দেবে।

 

নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) এবিএম আরিফুল ইসলাম বলেন, সাংস্কৃতিক জনপদ কুষ্টিয়ার পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে এবং সংস্কৃতিমনা কুষ্টিয়ার মানুষকে বিনোদনের একটি অন্যতম কেন্দ্র উপহার দিতে জেলা প্রশাসন বদ্ধ পরিকর।

 

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের ঐকান্তিক ইচ্ছায় ব্রিটিশ-বিরোধী বিপ্লবী নেতা বাঘা যতীন এর বাস্তুভিটার পাশেই গড়াই নদীর তীরে এই কয়া ইকোপার্কটি নির্মানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইকোপার্কটি নির্মাণ হলে এই এলাকাসহ ভ্রমণপিপাসু ও বিনোদনপ্রিয় মানুষদের মনে কিছু হলেও প্রশান্তি বয়ে আনবে।

 

প্রসঙ্গত, জায়গাটির ঐতিহাসিক ভে‌ৗগলিক অবস্থান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য আর সড়ক ও নদী উভয় পথে যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে অচিরেই যে ইকো পার্কটি কুমারখালী অন্যতম একটি বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।