২৫শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ১১ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৩:০৪

কুমারখালীতে আদিবাসীদের বসতি উচ্ছেদের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

লিপু খন্দকার ঃ  কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মহিলা কলেজের বানিজ্য বিভাগের শিক্ষক তুহিন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসতবাড়ী উচ্ছেদের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ ১৫ জানুয়ারী ১২ টার দিকে তুহিন বিশ্বাস তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসতি উচ্ছেদ করতে গেলে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়ালে তুহিন বিশ্বাস দৌড়ে পালিয়ে যায়। এসময় পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস এম রফিক আদিবাসীদের বসতি রক্ষার প্রতিবাদে মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এম এ মুহাইমিন আল জিহানের অফিসের সামনে অবস্থান নেয় এসময় সহকারী কমিশনার ভূমি তাদের আইনী সহায়তার আশ্বাস দিলে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কুমারখালী থানায় গেলে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম তাদের তুহিন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার জন্য বলেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, বুজরুখ দুর্গাপুর মৌজার এসএ ৩/৩৪০ ও আরএস ৩৪০ নং খতিয়ানের ৮ টি দাগে প্রায় ৮ বিঘা সম্পত্তি যার মালিক বাংলাদেশ সরকার পক্ষে ডেপুটি কমিশনার। উক্ত সম্পত্তি আতাউর রহমান সুজন, কুমারখালী সরকারী কলেজ ও আদিবাসীরা বরাদ্দ নিয়ে ভোগদখল করে আসছে।

ইতিমধ্যে উল্লেখিত জমির এসএ ৯১৪ নং দাগের ১৬ শতাংশ জমি যেটা আতাউর রহমান সুজন গং এর নামে বরাদ্দ সেই জমিতে তুহিন বিশ্বাস জোরপূর্বক মার্কেট নির্মাণ করেছে। এবং সরকারী কলেজের নামে এসএ ৯০৬,৯১১,৯১৫ ও ৯১০ নং দাগের ৯৮ শতক জমি যেটা জলাশয় সেই জমিতে বালি ভরাট করাকালীন সময়ে সচেতন এলাকাবাসী তাকে বাধা সৃষ্টি করলে সে আপাততঃ নিবৃত হয়।

এবং বিলুপ্ত প্রায় বাগদি সম্প্রদায় প্রায় শত বছর ৪০০ পরিবার উক্ত জমির এসএ ৯১৩,৯১৪,৯১২ ও ৯৪৫ দাগের জমি সরকারীভাবে বরাদ্দ নিয়ে বসবাস করছে। উল্লেখিত জমি তুহিন বিশ্বাস জোরপূর্বক দখল করতে গেলে উল্লেখিত ঘটনার সৃষ্টি হয়।

এবিষয়ে তুহিন বিশ্বাসের সাথে মুঠোফোনে জমি দখলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সে জানায়, আমি কথা বলবো কাগজ পত্র নিয়ে। এবং সরকারী জমি কিভাবে ক্রয় করেন সে বিষয়ে প্রশ্ন করলে তুহিন বিশ্বাস কৌশলে এড়িয়ে যায়।