২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং | ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | রাত ১০:৪৩

কুমারখালী বাসীর স্বপ্ন পুরণে সাংসদ ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ

লিপু খন্দকার ঃ কুমারখালী বাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পুরণে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন কুষ্টিয়া ৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ।

কুমারখালী উপজেলার মোট ১১ টি ইউনিয়নের মধ্য দক্ষিণাঞ্চলে রয়েছে ৫ টি ইউনিয়ন এবং লোকসংখ্যার দিক দিয়ে সমগ্র উপজেলার অর্ধেকের ও বেশী কিন্তু মাঝখান দিয়ে গড়াই নদী অতিবাহিত হওয়ায় শহরের সাথে অত্র ইউনিয়নগুলোর বৃহৎ জনগোষ্ঠীর যোগাযোগের অনেক বড় সমস্যা সৃষ্টি হয়ে আছে। উপজেলা শহরে চাহিদার নিত্য প্রয়োজনীয় গৃহস্থলীর অধিকাংশ ফসল জন্মে দক্ষিণাঞ্চলে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকার জন্য অনেক সময় নৌকা পার হয়ে চাষিদের শাকসবজি সহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য নিয়ে আসার সমস্যার কারনে তারা কুমারখালীতে না এসে চলে যায় জেলা শহরে। অথচ মাত্র ৪ /৫ কিলোমিটার ব্যবধান হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ২০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে তাদের যেতে হয় জেলায়।

ইতিমধ্য বর্তমান সংসদ সদস্যের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জনসাধারণকে ভোগান্তির হাত থেকে রক্ষা করতে গড়াই নদীর উপর দিয়ে উননব্বই কোটি একানব্বই লাখ পঁয়ত্রিশ হাজার পাঁচশত একানব্বই টাকা ব্যয়ভার ধার্য করে ৬৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৯.৮০ মিটার প্রস্থ ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে ১৭ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে। এবং সমাপ্তিকাল ২৫ অক্টোবর ২০২১।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নেশনটেক কমিউনিকেশন লিমিটেড ও রানা বিল্ডার্স লিমিটেড যৌথভাবে দিনরাত এককরে বিরতিহীন ভাবে ব্রিজের কাজ করে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের ধারনা এইগতিতে কাজ চললে নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই ব্রিজটির কাজ শেষ হয়ে যাবে। পিসি গার্ডার ব্রীজের মোট ৫২ টি পিসি গার্ডার নির্মিত হবে। আজ ব্রিজের প্রথম বেজ ঢালাই শুরু হয়েছে।

কুমারখালী বাসীর দীর্ঘদিনের লালায়িত স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে এবং ব্রিজ নির্মাণ সমাপ্তির পর বানিজ্যিক ভাবে কতোটুকু সফলতা আসবে এমন প্রশ্নের জবাবে সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ বলেন এখন দক্ষিণাঞ্চলের জনগণ তাদের সিংহভাগ প্রয়োজন মেটায় জেলা শহরে শুধুমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকার কারনে। ব্রিজ সমাপ্ত হবার পর শুধু বানিজ্যিক ভাবে কুমারখালীর সফলতাই আসেবেনা ভোগান্তির হাত থেকেও রক্ষা পাবে জনগণ।