২০শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | রাত ২:৩৩

যে ১০টি ধাপে শেভিং করলে আপনার ত্বক থাকবে তুলতুলে ও জীবানু মুক্ত

নিউজ ডেস্কঃ  ব্রাশের মাথায় ক্রিম লাগিয়ে গালে ঘষলেই হল না। শেভিং করার সঠিক পদ্ধতি জানা চাই, তবেই ত্বক থাকবে নরম।
শেভিংয়ের কিছু নিয়ম রয়েছে যেগুলি মেনে চললে নরম ও তুলতুলে ত্বকের অধিকারী হতে পারেন আপনি। দেখে নিন এই ১০টি ধাপ—
১) দাড়ি ঘন হলে প্রথমেই ট্রিমার দিয়ে যতটা পারা যায় ছেঁটে নিন।

২) শেভিংয়ের আগে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। মুখ পরিষ্কার করতে শুধু জল দিয়ে না ধুয়ে প্রি-শেভ এক্সফোলিয়েটিং স্ক্রাব ব্যবহার করুন। এর ফলে ত্বকের মৃতকোষ উঠে যায় এবং আরও বেশি ‘ক্লোজার শেভ’ পাওয়া যায়।

৩) যে অংশটি শেভ করবেন সেখানে ভাল করে প্রি-শেভ অয়েল লাগিয়ে নিন। বাজার ভাল প্রি-শেভ জেলও রয়েছে, যেমন জিলেট ম্যাচ ৩ ইরিটেশন ডিফেন্স প্রি-শেভ জেল। ১৯৫ গ্রামের দাম ২৬৯ টাকা। ত্বক যত ময়শ্চারাইজড থাকবে ততই ইরিটেশন কম হবে।

৪) আজকাল সবাই ফোম ব্যবহার করেন যাতে তাড়াতাড়ি শেভ করা যায় কিন্তু ত্বকের কথা মাথায় রেখে শেভিং ক্রিম ব্যবহার করাই ভাল। ফোম ত্বককে খুব শুকনো করে দেয় তাই ইরিটেশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ক্রিম সব সময়েই ব্রাশের মাথায় নিয়ে তবে আস্তে আস্তে গালে ও গলায় বোলানো উচিত।

৫) ক্রিম লাগিয়ে অন্তত ৩ মিনিট অপেক্ষা করুন যাতে ক্রিমের মধ্যে থাকা তৈলাক্ত পদার্থ ত্বক ভাল করে শুষে নেয়। এতে দাড়িও অনেকটা নরম হয়ে যায়।

৬) বাজারে এখন ২-ব্লেড, ৩-ব্লেড রেজারের রমরমা। এতে নিঁখুতভাবে শেভ করা যায় অল্প আয়াসে কিন্তু এই ধরনের ব্লেডে ত্বকের উপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে। নিয়মিত শেভিংয়ের ফলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়ার এটিই মূল কারণ। তাই ফিরে যান সেই পুরনো সিঙ্গল ব্লেড সেফটি রেজারে। জিলেট গার্ড বেশ ভাল। রেজারের দাম ১৫ টাকা আর ব্লেড ৭ টাকা করে। একটি ব্লেডে সর্বাধিক চারবার শেভ করা যাবে। তবে প্রত্যেক স্ট্রোক-এর পরে রেজারটি ভাল করে ধুয়ে নেবেন।

৭) ক্লোজার শেভের জন্য দাড়ির যেদিকে রুট তার উল্টোদিকে শেভ করেন? তবে অভ্যাসটি বদলান। এতে স্কিন ইরিটেশন হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এতে র‌্যাশ হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল।

৮) লং স্ট্রোক নৈব নৈব চ। মারাত্মক ক্ষতি হয় ত্বকের। ছোট ছোট লাইট স্ট্রোকই শেভিং করার ঠিকঠাক পদ্ধতি।

৯) অনেকের আফটারশেভ ব্যবহার করলে ত্বকের জালা বেড়ে যায়। এর কারণ রেজার বাম্প। এমনটা হলে স্প্ল্যাশ না লাগিয়ে সুদিং আফটার শেভ বাম লাগান। রেজার বাম্প থাকলে লাগাতে পারেন অ্যালোভেরা-মিশ্রিত কর্টিসোন ক্রিম। এতে তাড়াতাড়ি সেরে যায় বাম্পস। ইরিটেশন এর পরেও না কমলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। তবে ত্বক নরম রাখতে সব সময় ক্রিম লাগানোই ভাল। গরমকালে ক্রিম লাগিয়ে মিনিট পনেরো রেখে তার পরে অল্প করে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। তাতে ত্বকও ভাল রইল আবার গরমে তেল-তেল ভাবও থাকল না।

১০) ব্রাশ ও ব্লেড ভাল করে জলে ধুয়ে ব্লেডে কয়েক ফোঁটা অ্যালকোহল দিয়ে আস্তে আস্তে ঘষুন। এতে ব্যাকটেরিয়া-মুক্ত হবে ব্লেড।

Leave a Reply

Your email address will not be published.