২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১১:৫৬

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

আমার উদ্ভাবণী সর্ম্পকে আপনার নিকট সামাজিক যোগাযোগ মারফত প্রেরণ করলাম। আমার উদ্ভাবণীটি যথাযথ বিচার করবেন এটাই আপনার কাছে আমার বিশেষ দাবী।

 

আমার উদ্ভাবণী দেশের সকল অসহায় ও ভূক্তভোগী মানুষের জন্য। আপনি জানেন বর্তমান শ ৩ কাটি ২০ লক্ষ মানুষ মাত্রাতিক্তির আর্সনিক যুক্ত পানি পান করছ। শুধু তাই নই পানিত মিশ্রিত অতিরিক্ত আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, দুর্গন্ধ, রং এবং মাইক্রাঅর্গানিজমসহ অন্যান্য সমস্যা মানুষর জীবনক দুর্বিসহ কর তুলছ। আমি দীর্ঘনি যাবৎ পানির সমস্যা নিয় ব্যাক্তিগত ভাব গবষণা কর আসছি। আর্সেনিকসহ পানিতে ্রবিভূত অন্যান্য সমস্যা সমাধানের জন্য আমি একটি ফিল্টার ও কৃত্তিম কূপের (পরিবেশ বান্ধব) উদ্ভাবণ করেছি। ২০১৭ সালে জনাব পরিমল সিংহ, জেলা প্রশাসক, মেহেরপুর মহোদয়ের সহযোগীতায় পেটেন্ট আবেন করা হয়। সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন মাধ্যমে ফিল্টারটি পরীক্ষা করা হলে এর ফলাফল ডঐঙ এর গাইড লাইনের মধ্যে থাকে।

 

দেশের জনগণ যাতে খুব সস্তায় নিরাপদ পানি ব্যবহার করতে পারে তার আমি ব্যাবস্থা করেছি। আমার উদ্ভাবণটি দেশের ভূক্তভোগী মানুষের মাঝে সরবরাহ করার চেষ্টা করে ব্যার্থ হচ্ছি।

 

আপনি এও জানেন, মানুষের মৌলিক চাহিদার ১ম শর্ত হচ্ছে খাদ্য। মানুষের এই চাহিদা পূরণের জন্য এখন পর্যন্ত চেষ্টা করে যাচ্ছি। সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন মহলে সামান্য সহযোগীতা চাইলেও পরামর্শ ছাড়া আর কিছুই পাইনি। সামনে শত শত পরামর্শ পেলেও পিছনে শুনতে হয়েছে শত শত কটুকথা।

 

আমার উদ্ভাবণী সকল জাতি, সকল ধর্ম বর্ণের জন্য। গ্রামের মা বোনেরা বর্ষার মৌসুমে কোমরে কলস, এক হাতে জগ, এক হাতে পানির বোতল নিয়ে এপাড়া থেকে অন্য পাড়ায় পানি আনতে যায় এবং পা পিছলে পানির মধ্যে পড়ে যাওয়া কষ্টের দৃশ্যও আমি দেখেছি।

 

আমার উদ্ভাবণী তাদের জন্য যারা সব সময় নিরাপদের নামে অনিরাপদ পানি পান করে। আমি জানি আমার উদ্ভাবণীতে পানির মান ১০০% নিরাপদ হয়না। কিন্তু আমার উদ্ভাবণীটি দেশের ৯০% ভাগ ভূক্তভোগী মানুষের জন্য একান্ত প্রয়োজন হবে। মানুষের জন্য চেষ্টা, এত চেষ্টা করা সত্বেও মানবিক বিভাগের ছাত্র হওয়ায় আমি এখন লাঞ্চিত, অপমানিত। পরিবার, আত্মীয় সমাজের কাছে আমি অপদার্থ। সমাজে আমি একজন বকে যাওয়া শিক্ষিত যুবক। মানবিক বিভাগে অধ্যায়ন করে এই ধরণের গবেষণা করা নাকি পাগলামি ছাড়া আর কিছুই না। যে মানুষগুলোর জন্য শত চেষ্টা করেছি সেই মানুষগুলো আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করে। বাবা নেই-বিধবা মাকে নিয়েও হাসি বিদ্রুপ করে মানুষ। কি-দোষ করেছি আমি মানুষের জন্য কাজ করে? যে মানুষগুলো আমাকে বলে পাগল। মানুষের সাথে তাল মিলিয়ে আমার মা আমাকে পাগল বলে অপমান করে। নিজেকে এখন অসহায় মনে হয়। মনে হয় আসলেই আমি একজন পাগল।

 

আপনার কাছে আমার বিশেষ দাবী আমার প্রযুক্তির যথাযথ বিচার করবেন। হতেও পারে সেটি মানব জাতির জন্য কল্যাণকর।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

আমি এখন অসহায়। আমার কষ্ট আমার পরিবারের কষ্ট একটু সদয় ৃষ্টিতে খেবেন। আমার পত্রের ভাষাতে কোন ভূল হলে ক্ষমার ৃষ্টিতে খেবেন।

মোঃ মোমিনুল ইসলাম
গ্রাম ঃ উজলপুর
ডাকঘর ঃ উজলপুর
থানা ও জেলাঃ মেহেরপুর।