২৩শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং | ১০ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৩:২৫

ডায়িং-সুতা কারখানার বিষাক্ত তরলে দূষিত হচ্ছে কুষ্টিয়ার গড়াই নদী

স্টাফ রিপোর্টার :ডায়িং ও সুতা রং এর কারখানার বিষাক্ত তরল বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে গড়াই নদী। নদী দূষণের সঙ্গে সঙ্গে নদী পাড়ের মানুষের বাড়ছে নানা রোগ-ব্যাধি। ডায়িং কারখানার কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায় জেলা প্রশাসন।

 

কুষ্টিয়া কুমারখালীর ডায়িং এবং সুতা রং করার কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য ড্রেন হয়ে গিয়ে মিশছে গড়াই নদীতে ফলে দুষিত হচ্ছে নদীর পানি। আর নদীর পানি ব্যবহার করার কারণে নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে নদী পাড়ের মানুষ। এমন কি কৃষি কাজে নদীর পানি ব্যাবহারও অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। বিষাক্ত ডাইং বজ্য সরাসরি গড়াই নদীতে ধারাবাহিক ভাবে ফেলানোর কারনে বদ্ধ গড়াইনদীর পানির রং পরিবর্তন হয়ে গেছে। ইতো মধ্যে নদীর মাছ ও জিব বৈচিত্র্য মারা যাচ্ছে। জেলা প্রশাসন ডায়িং কারখানাগুলোকে নদী দূষণের জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। ডায়িং ও রং করার কারখানায় নানা ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার হয় বলে জানান সুতা রং করার কারিগররা।

 

গড়াই নদীর পানি দূষণের কারণে নদী পাড়ের মানুষের শরীরে নানা ধরনের রোগ দেখা দিয়েছে। এমনকি নদীর চরে পানির অভাবে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ‘নদীর পানিতে গোসল করলে প্রচণ্ড চুলকানি হয়। মাছ মরে ভেসে উঠতেও দেখা যায় বলে জানান তারা।

 

জেলা প্রশাসক মো. জহির রায়হান জানান, কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, ‘ড্রাই ফ্যাক্টরিগুলো পরিবেশ দূষণ করছে, বিশেষ করে পানির মাধ্যমে। তারা গড়াই নদীর পানি দূষিত করছে। আমরা ইতিমধ্যে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। জবাব না পেলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবো।’ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে তিনটি বড় ডায়িং ও ছোট বড় ৩শটি সুতা রং করার কারখানা রয়েছে।