২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৪:৪৩

আজ পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ মুসলিম উম্মার স্মরণিয় রাত

স্টাফ রিপোর্টার :আজ পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ। মুসলিম উম্মার গুরুত্ববহন কারি রাত আজ। যাথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে আজ ২৬শে রজব, শনিবার দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ পালিত হবে। এ উপলক্ষে মহল্লার মসজিদে মসজিদে এরাতের ফাজায়েল ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা ও দোয়া মহফিল হবে। বর্ণিত আছে পবিত্র এই রাতে মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা:) মেরাজ গমন করে আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলা-মিনের সান্নিধ্য লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা হিজরি সনের রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে লাইলাতুল মেরাজ পালন করে থাকে। ইসলামে এই রাত কে বিশেষ মর্যাদা দেয়া হয়েছে। মেরাজের রাত ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়া কবুলের রাত হিসেবে গণ্য করা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে রাতটি পার করে থাকেন।

 

অনেকে পবিত্র মেরাজে নফল রোজা রাখেন। দান-সদকাও করে থাকেন। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত সফরকে ‘ইসরা’ এবং মসজিদুল আকসা থেকে সাত আসমান পেরিয়ে আরশে আজিম সফরকে “মেরাজ “বলা হয়। ইতিহাসের নিরিখে নবুওয়াতের দশম বছর ৬২০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ রজব দিবাগত রাতে মহানবী (সা:) আল্লাহ্‌র সান্নিধ্যে মেরাজ গমন করেন।

 

পবিত্র কোরআনের সূরা বনি ঈসরাইল ও সূরা নজমের আয়াতে, তাফসিরে এবং সব হাদিস গ্রন্থে মেরাজের ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। পবিত্র এই রাতে হযরত জিবরাঈল (আ:)-এর সঙ্গে নবীজী প্রথমে বায়তুল্লাহ শরীফ থেকে বোরাকে চড়ে বায়তুল মুকাদ্দাস গমন করেন। সেখানে হযরত আদম (আ:) সহ অন্যান্য নবীদের নিয়ে মহানবী (সা:) দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন। তারপর সেখান থেকে তিনি এই রাতেই সপ্তম আকাশ পেরিয়ে সিদরাতুল মুনতাহায় উপনীত হন। এরপর রফরফ নামক বাহনে চড়ে আল্লাহ্‌র প্রিয় হাবিব মহান প্রভুর অনুগ্রহে আরশে আজিমে পৌঁছেন। আল্লাহ্‌ তায়ালার দিদার লাভ ও সরাসরি কথোপকথন শেষে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তন করেন প্রিয়নবী হযরত মুহম্মদ (সা:)।